২৫ কুড়িগ্রাম-১ (নাগেশ্বরী–ভুরুঙ্গামারী) আসনে মানবতার ফেরিওয়ালা ডা. ইউনুস আলী স্যার

মুতাসিম বিল্লাহি তানিম, কুড়িগ্রাম জেলা প্রতিনিধি
প্রকাশ: ১৮ অক্টোবর ২০২৫(শনিবার)
বিশিষ্ট কার্ডিওলজিস্ট, জিয়া পরিবারের আস্তাভাজন,কুড়িগ্রাম-১ (নাগেশ্বরী–ভুরুঙ্গামারী–কচাকাটা) আসনের তরুণ প্রজন্মের আইকন, মাটি ও মানুষের প্রিয় নেতা, জেলা বিএনপি’র অন্যতম সদস্য ও ড্যাব নেতা ডা. মোঃ ইউনুছ আলী আসন্ন জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে নিজের ব্যক্তিগত অনুভূতি ব্যক্ত করেছেন।

ডা. ইউনুস আলী স্যার বলেন,
“আমি এত সহজে নিজেকে এমপি প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা দিতে পারি না, অন্তত আমি নই। বাস্তব অভিজ্ঞতা থেকে বলছি—রাজনীতিতে নিজেকে বড় করে দেখানোর প্রবণতা আমাদের চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যের একটি অংশ হয়ে দাঁড়িয়েছে। কিন্তু আমার অভিজ্ঞতা সম্পূর্ণ ভিন্ন। প্রায় ২৫ বছরের রাজনৈতিক জীবনে আমি কখনো ব্যক্তিগত স্বার্থে বা পদ-পদবীর আশায় রাজনীতি করিনি। রাজনীতি করার কারণেই আমি বিসিএস বা সরকারি চাকরিতে যাইনি। আমি বিশ্বাস করি, আমার দল ও জনগণ উপলব্ধি করে যে আমি দলের জন্য নিবেদিত প্রাণ।”

তিনি আরও বলেন,
“আমার দৃঢ় বিশ্বাস—দলের জন্য এখনো অনেক কিছু দেওয়ার বাকি আছে আমার। সাংগঠনিক দক্ষতা যার আছে, তরুণ প্রজন্ম ও সাধারণ মানুষকে যিনি এগিয়ে নিতে পারেন, তিনিই প্রকৃত রাজনীতিক। বিভিন্ন শোভাযাত্রা কিংবা কেবল মানুষের সামনে হাত নাড়ানোর মধ্যেই রাজনীতির সারবস্তু নেই।”
ডা. ইউনুস আলী স্যার মনে করেন, তরুণ প্রজন্মই আগামী নেতৃত্বে এগিয়ে যাবে। তিনি বলেন,
“ফ্যাসিস্ট শাসনের সময় প্রবীণ নেতাদের রাজপথে পাইনি, কিন্তু অত্র এলাকার জনগণ আমাকে রাজপথেই পাশে পেয়েছে। জনগণ এখন পরিবর্তন চায়, তারা তরুণ নেতৃত্বকে সামনে দেখতে চায়।”
তিনি আরও বলেন,
 “সংসদে যেতে হবে সেই ব্যক্তিকেই, যার আইন প্রণয়নের যোগ্যতা, প্রস্তুতি ও দায়িত্ববোধ রয়েছে। রাজপথের সংগ্রামও সমান গুরুত্বপূর্ণ, সেটি আমি সবসময় বিবেচনায় রাখি।”
নিজের রাজনৈতিক দর্শন প্রসঙ্গে ডা. ইউনুস আলী স্যার বলেন,
 “একজন মানুষ তার স্বপ্ন দেখবে বাস্তবতা ও সামর্থ্যের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে। পত্রিকায় নাম ছাপিয়ে সাময়িক ‘এমপি ফিল’ নেওয়ার আনন্দ আমার নেই। আমি আমার সাংগঠনিক পরিচয় নিয়েই গর্বিত এবং দলের একজন কর্মী হিসেবেই নিজেকে ভাবতে বেশি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করি।”
দলের নেতৃত্ব নিয়ে আশাবাদ প্রকাশ করে তিনি বলেন,
 “আমাকে অনুপ্রাণিত করে যখন শুনি, ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান দেশে ফিরবেন এবং আগামী নির্বাচনে নেতৃত্ব দেবেন। আমি জানি, যদি কখনো দল আমাকে জননেতা হিসেবে বিবেচনা করে, ইনশাআল্লাহ জনগণ ও তরুণ প্রজন্মের ( Gen Z) ভালোবাসার মাধ্যমেই সংসদে পৌঁছানো সম্ভব হবে।”
শেষে তিনি বলেন,
“আমার দলের প্রতি অগাধ বিশ্বাস ও আস্থা রয়েছে। দলের সাফল্যই আমার সাফল্য, দলের শক্তিই আমার শক্তি।”

Post a Comment

নবীনতর পূর্বতন