স্টাফ রির্পোটার
পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জে প্রথমবারের মতো বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী অমুসলিম শাখা গঠন করেছে। সোমবার (২২ সেপ্টেম্বর) রাতে সুন্দরদীঘি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে অনুষ্ঠিত এক সভায় স্থানীয় সনাতন ধর্মাবলম্বীদের নিয়ে আট সদস্য বিশিষ্ট এই কমিটি ঘোষণা করা হয়। এতে সভাপতি নির্বাচিত হন শ্রী মহেন্দ্র নাথ রায় এবং সেক্রেটারির দায়িত্ব পান শ্রী মলিন চন্দ্র রায়।
দলটির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, “ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবাইকে সঙ্গে নিয়ে কাজ করার লক্ষ্যেই এই উদ্যোগ।” তবে সমাজের বিভিন্ন মহলে প্রশ্ন উঠছে— একটি ইসলামী দলের ব্যানারে অমুসলিম শাখা গঠন করা কি ইসলামী ভাবধারার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ, নাকি এটি শুধুই রাজনৈতিক কৌশল?
ধর্মপ্রাণ মানুষের একাংশ মনে করছেন, এমন উদ্যোগ ধর্মীয় বিশ্বাসের সঙ্গে সাংঘর্ষিক ব্যাখ্যার জন্ম দিতে পারে। তাদের মতে, রাজনৈতিক পরিসরে অন্তর্ভুক্তি গুরুত্বপূর্ণ হলেও, তা যদি ধর্মীয় আদর্শের সঙ্গে অসঙ্গতি তৈরি করে, তবে তা সহজেই বিতর্কের জন্ম দেয়।
আবার জামায়াতের স্থানীয় নেতারা বলছেন, বাংলাদেশ সবার জন্য সমান নাগরিক অধিকার নিশ্চিত করার উদ্দেশ্যে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। তাদের দাবি, এটি একটি “অন্তর্ভুক্তিমূলক উদ্যোগ।”
সচেতন মহলের অভিমত— এটি নিছক রাজনৈতিক কৌশল, নাকি সত্যিই ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে ঐক্যের প্রচেষ্টা—সেই প্রশ্ন এখনো থেকে গেলো। তবে এতটুকু নিশ্চিত, এই সিদ্ধান্তকে ঘিরে সাধারণ মানুষের মধ্যে কৌতূহল ও বিতর্ক দুই-ই তৈরি হয়েছে।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন